ভারত দখলেরই ধারাবাহিক প্রক্রিয়া
পুলওয়ামা জঙ্গি হামলা নিঃসন্দেহে ভারতের আত্মমর্যাদার উপর একটা বড় আঘাত। তৈমুর লং থেকে শুরু করে মাসুদ আজহার পর্যন্ত ভারতের ওপর এই যে আক্রমণ হচ্ছে, ভারতের উপর আগ্রাসন চালানো বা ভারত দখলের প্রক্রিয়ার অঙ্গ হিসাবে ধারাবাহিকভাবে এই প্রক্রিয়া চলে আসছে সেই তৈমুর লং এর সময় থেকে এবং সেটা এখনো বিদ্যমান।এবং তৈমুর লং এবং তার উত্তরাধিকারীরা, তারা মনে করে যে তারা তরবারির দ্বারা এই ভারতবর্ষকে দখল করবে এবং নিজেদের শাসন বা রাজত্ব কায়েম করবে আর এই কারনেই সুদূর অতীত থেকে এই এখন পর্যন্ত এদেশে আগ্রাসী সন্ত্রাসী আক্রমণ জারি রয়েছে ভারতের উপর। এবং এদের যে শিক্ষা, যে ধর্ম, যে ধ্যান জ্ঞান, যে চিন্তাভাবনা তা দেখে মনে হয় না যে এরা কখনোই কোন দিন এসব বন্ধ করবে যতক্ষণ না পর্যন্ত এই ভারত তাদের করায়ত্ত হয় বা তাদের অধিকারে আসে। এক বিপদজনক খেলা তারা চালিয়ে যাচ্ছে ভারতের উপর।
ভারতের নীতি
ভারত কিন্তু বরাবরই অহিংসা ও শান্তির নীতি মেনে চলার চেষ্টা করে আসছে। তার উপর যতই হিংসা করা হোক না কেন ভারত কিন্তু অহিংসা ও শান্তির নীতি থেকে সরে আসেনি এবং ভারতের উপর আগ্রাসী আক্রমণ চালানোর বিরুদ্ধে ভারত কিন্তু পাল্টা আগ্রাসন চালানোর নীতি নয়,বরং সবসময়ই আক্রমণকারী শক্তির সঙ্গে শান্তিপূর্ণ আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার বা শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করে আসছে। কিন্তু যতই সে শান্তির পথ ধরে চলুক না কেন আক্রমণকারীরা, সন্ত্রাসীরা কিন্তু তাদের পথ থেকে বিন্দুমাত্র সরেনি বা বিচ্যুত হয়নি। তারা তাদের অন্ধ মত ও পথ অবলম্বন করে চলেছে এবং ভারতের উপর তাদের আক্রমণ বা আগ্রাসন জারি রেখেছে।মুসলিম লীগ ও দ্বিজাতি তত্ত্ব
1947 সালের দেশ স্বাধীন হওয়ার সময় ভারতের জাতীয় কংগ্রেস হিন্দু মুসলমান খ্রীষ্টান বৌদ্ধ জৈন শিখ সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ অখন্ড ভারত হিসেবে স্বাধীন ভারত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চেয়েছিল। কিন্তু মুসলিম লীগ এবং মুসলিম লীগের নেতৃত্ব অর্থাৎ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগের দাবি জানায় এবং মুসলমানদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তানের দাবি করে। জিন্নাহর বক্তব্য ছিল ভারতীয়রা এক অভিন্ন জাতি নয়, হিন্দু ও মুসলমান দুটি ভিন্ন জাতি। দুটি ভিন্ন জাতির জন্য দুটি রাষ্ট্র হওয়াই বাঞ্ছনীয়। এই যুক্তির উপর ভিত্তি করে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের দাবিতে অনড় থাকে। কিন্তু ভারতীয় নেতৃবর্গ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্বে বিশ্বাসী ছিলেন না এবং দ্বিজাতি তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ভারত ভাগেও রাজি ছিলেন না। কিন্তু জিন্না ছিলেন নাছোড়বান্দা। যেকোনো মূল্যে পাকিস্তান হাসিল করার জন্য তিনি ছিলেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে ও কলকাতা দাঙ্গা
ক্যাবিনেট মিশনের আলোচনার মাধ্যমে প্রদেশ গুলির যথেষ্ট স্বায়ত্তশাসনের শর্তে জিন্না স্বাধীন অবিভক্ত ঐক্যবদ্ধ ভারতের শর্তে রাজি হয়েও পরবর্তীতে বেঁকে বসেন এবং তার উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য অর্থাৎ স্বাধীন পাকিস্তানের দাবি পূরণ করার জন্য 1946 সালের 16 ই আগস্ট থেকে ডাইরেক্ট একশন বা প্রত্যক্ষ সংগ্রামের ঘোষণা করে এবং 16 ই আগস্ট কলকাতাতে ডাইরেক্ট একশন বা প্রত্যক্ষ সংগ্রামের ডাক দেয়। সেই সময় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, যিনি ছিলেন বাংলায় জিন্নাহর অনুগত ভক্ত। বাংলার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে ব্যবহার করে, প্রশাসনকে ব্যবহার করে, পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে, পুলিশকে নিষ্ক্রিয় রেখে মুসলিম লীগের উগ্রপন্থী গুন্ডাদের লেলিয়ে দেয় হিন্দুদের বিরুদ্ধে। কলকাতার বুকে শুরু হয় তাণ্ডবলীলা, হত্যাযজ্ঞ। হিন্দুদের বাড়িঘর দোকানপাট ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান লোকালয় আক্রমণ করা হয়, ভাঙচুর করা হয়, অগ্নিসংযোগ করা হয়। হিন্দুদের হত্যা করা হয়, হিন্দু নারীদের ধর্ষণ করা হয়।হিন্দুরা আত্মরক্ষার জন্য পাল্টা প্রতিরোধ শুরু করে এবং ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়। 16 ই আগস্ট থেকে 20 আগস্ট, এই পাঁচ দিনের দাঙ্গায় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ নিহত হয়, আহত হয় বহু মানুষ, প্রচুর সম্পদ ও সম্পত্তি নষ্ট হয়। কলকাতার উপর নেমে আসে অন্ধকারময় বিভীষিকা। মানুষ পরিণত হয় পশুতে। চলে পাশবিক হত্যাযজ্ঞ ,তান্ডব লীলা। এবং সোহরাওয়ার্দী যখন দেখলেন যে হিন্দুদের হাতে মুসলমানরা মার খেতে শুরু করেছে তখন তিনি নতুন করে বারোশো পাঞ্জাবি মুসলমানকে পুলিশে নিয়োগ করেন এবং তাদের সাহায্যে হিন্দু দাঙ্গাকারীদের দমন করেন। এই বীভৎস দাঙ্গা ছিল চরম সাম্প্রদায়িক মানসিকতার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। সেই সাম্প্রদায়িকতার যে আগুন মুসলিম লীগ জ্বালিয়েছিল কলকাতার বুকে ধীরে ধীরে তা অন্যত্র প্রবাহিত হয়।নোয়াখালী ও বিহার দাঙ্গা
কলকাতার দাঙ্গার সূত্র ধরে নোয়াখালীতে দাঙ্গা বাঁধে। নোয়াখালী ছিল মুসলিম মৌলবাদীদের ঘাঁটি এবং তারা কলকাতার দাঙ্গার সূত্র ধরে নোয়াখালীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর ব্যাপক আক্রমণ শুরু করে, সংঘটিত করে বীভৎস হত্যা লীলা জ্বালাও-পোড়াও অভিযান। হিন্দু মহল্লা গুলোকে তারা ছারখার করে দেয়। গান্ধীজী ছুটে আসেন প্রথমে কলকাতায়, সেখান থেকে নোয়াখালী। আবার এই কলকাতার দাঙ্গা এবং নোয়াখালীর দাঙ্গার সূত্র ধরে দাঙ্গা শুরু হয়ে যায় বিহারে। সেখানে হিন্দুদের হাতে মুসলমানরা প্রচন্ডভাবে আক্রান্ত হয়। কলকাতায় অনেক বিহারী বাস করতেন এবং কাজ করতেন। কলকাতার মুসলিম দাঙ্গাকারীদের দ্বারা তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, অনেকেই নিহত হয়েছিল। সেটাই তারা বিহারে গিয়ে প্রচার করে এবং সে সূত্র থেকে বিহারে এই বীভৎস দাঙ্গা শুরু হয়। বিহারের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের গড়মুক্তেশ্বরেও দাঙ্গা হয়। নোয়াখালী বিহার উত্তরপ্রদেশের এই দাঙ্গা দেশের পরিবেশকে বিষিয়ে তোলে।পাঞ্জাব দাঙ্গা
কিন্তু যে দাঙ্গা শুরু হলো পাঞ্জাবে তা ছিল অতি মর্মান্তিক,যা সবকিছুকেই ছাড়িয়ে যায়। পাঞ্জাবের এই দাঙ্গায় হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষ নিহত হয়, নারীরা হয় ধর্ষিতা। দাঙ্গা পশ্চিম পাঞ্জাবে ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। কাতারে কাতারে হিন্দুদের কতল করা হতে থাকে। তাদের জমি জায়গা বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে জায়গা জমি দখল করা হতে থাকে। লুটপাট চলে অবাধে, চলে নারী ধর্ষণ। পশ্চিম পাঞ্জাবের শিখ ও হিন্দুরা পূর্ব পাঞ্জাব এর দিকে পালাতে শুরু করে। কিন্তু পালাবার পথে রাস্তায় রাস্তায় তাদের নির্মমভাবে কতল করা হতে থাকে। রাস্তার উপর জমে উঠতে থাকে মৃতের স্তুপ। শুরু হয়ে যায় উদ্বাস্তুদের স্রোত। পায়ে হেঁটে, গরুর গাড়িতে করে, গাড়িতে করে, ট্রেনে করে মানুষ পালাতে থাকে, চলে আসতে থাকে পূর্ব পাঞ্জাব এর দিকে। কিন্তু পালিয়েও তারা রেহাই পায় না। রাস্তার মধ্যেই তাদের কতল করা হতে থাকে। পশ্চিম পাঞ্জাব থেকে পূর্ব পাঞ্জাবে এক একটি ট্রেন আসতে থাকে মৃতদেহ বোঝাই করে নিয়ে। ট্রেন ভর্তি কেবল লাশ আর লাশ, কোথাও প্রাণের স্পন্দন নেই। এসব দেখে পূর্ব পাঞ্জাবের শিখ ও হিন্দুদেরও রক্ত গরম হয়ে ওঠে। তারাও আক্রমণ চালাতে শুরু করে মুসলমানদের উপর। ফলে পশ্চিম পাঞ্জাব থেকে হিন্দু ও শিখ উদ্বাস্তু স্রোত এর পাল্টা হিসেবে পূর্ব পাঞ্জাব থেকেও মুসলমানদের উদ্বাস্তু স্রোত ধাবিত হয় পশ্চিম পাঞ্জাবের দিকে। দিল্লিতে শুরু হয় মুসলমানদের উপর আক্রমণ। সেখানে জহরলাল নেহেরু দাঙ্গার মাঝখানে ঝাঁপিয়ে পড়ে পড়ে দাঙ্গা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন এবং মুসলমানদের নিরাপত্তার সুযোগ করে দেন অনেকটাই। কিন্তু পশ্চিম পাঞ্জাবের হিন্দু ও শিখরা যেমন সাফ হয়ে যায় তেমনি পূর্ব পাঞ্জাবের মুসলমানরাও সাফ হয়ে যায়। পাঞ্জাবের এই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা দেশভাগ কে ত্বরান্বিত ও সুনিশ্চিত করে। এই দাঙ্গায় মুসলিম লীগ মুসলিম ন্যাশনাল গার্ড কে মাঠে নামায়, এবং মুসলিম ন্যাশনাল গার্ডের এই বীভৎস আক্রমণ হিন্দু মুসলিম শিখ দের মধ্যে সমস্ত ঐক্য ও সম্প্রীতির বাতাবরণকে পুরোপুরি শেষ করে দেয়, যা জিন্নাহর স্বপ্নকে সফলতার পথে নিয়ে যায়, অর্থাৎ দেশকে ভাগ করতে বাধ্য করে এবং তার স্বপ্নের পাকিস্তানকে বাস্তবে পরিণত হতে সাহায্য করে।দেশভাগ
নিরুপায় হয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বও দেশভাগে রাজি হয়। এছাড়া কংগ্রেস নেতৃত্বের সামনে আর অন্য কোন রাস্তা খোলা ছিল না। সেই সময় কংগ্রেস নেতৃত্ব এই সিদ্ধান্তকে সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে করেছিল। ফলে ভারত বিভক্ত হলো। 1947 খ্রিস্টাব্দের 14 ই আগস্ট আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নিল পাকিস্তান এবং সেই দিন মধ্যরাত্রে 15 ই আগস্ট স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নিল ভারত।কাশ্মীর সমস্যা
সমস্যা এখানেই মিটে যাওয়ার কথা। কিন্তু শান্তির জন্য যে দেশভাগকে মেনে নিয়েছিল ভারতীয় নেতৃবর্গ সেই শান্তি থেকে গেল অধরা। কাশ্মীরের উপর পাকিস্তানের আক্রমণের দ্বারা তৈরি হল নতুন অশান্তির প্রেক্ষাপট।কাশ্মীর সাহায্য প্রার্থনা করল ভারতের কাছে। ভারত সাহায্যে এগিয়ে গেল। চুক্তি হলো ভারত ও কাশ্মীরের মধ্যে। কাশ্মীরের রাজা হরি সিং শেখ আব্দুল্লাহর সহযোগিতায় ও সম্মতিতে ভারত ভুক্তি চুক্তিতে সই করলেন। কাশ্মীর ভারতের অন্তর্ভুক্ত হলো। ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযান চালালো। শুরু হলো কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ 1947 সালে। লর্ড মাউন্টব্যাটেন তখন ভারতের গভর্নর জেনারেল। ভারত যখন দুই-তৃতীয়াংশ কাশ্মীরকে পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্ত করতে সক্ষম হল তখন গভর্নর জেনারেল মাউন্টব্যাটেন জহরলাল নেহেরু কে এক বুদ্ধি দিলেন। মাউন্টব্যাটেন নেহেরু কে বললেন পাকিস্তান অন্যায় ভাবে কাশ্মীর আক্রমণ করেছে এই অভিযোগ করে ভারত রাষ্ট্রপুঞ্জে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাক। এবং নেহেরু তাই করলেন। ফলে এক তৃতীয়াংশ কাশ্মীর পাকিস্তানের দখলে থেকে গেল।রাষ্ট্রপুঞ্জের মধ্যস্থতায় দুই রাষ্ট্রের মধ্যে নির্ধারিত হল নিয়ন্ত্রণ রেখা। আর এখান থেকেই কাশ্মীর সমস্যা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চরম শত্রুতার মাধ্যম হিসেবে থেকে গেল। কিন্তু সেই সময় নেহেরু যদি মাউন্টব্যাটেনের কথা না শুনতেন এবং পুরো কাশ্মীরকে পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্ত করে নিতেন তাহলে আজ কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে শত্রুতা করার বা ঝামেলা পাকানোর কোন সুযোগই পেত না। সেই সম্ভাবনা সেই সময়ে সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হতো। নেহেরু ও পরবর্তীতে তার এই মারাত্মক ভুল নিয়ে অনুতাপ করেছেন। যাইহোক, পাকিস্তান কাশ্মীরের যেটুকু অধিকার কায়েম করে বসে আছে আইনসঙ্গতভাবে তা অবৈধ। কাশ্মীরের মাটির উপর পাকিস্তানের দখলদারি কোনভাবেই যুক্তিসংগত নয়। অথচ পাকিস্তান লাগাতারভাবে তৈমুর লঙের নীতি অনুসরণ করে কাশ্মীরের উপর নিজের দখলদারের দাবি জানিয়ে কাশ্মীরের মধ্যে অশান্তি অব্যাহত রেখে চলেছে, সন্ত্রাস জারি রেখে চলেছে, জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের ট্রেনিং দিয়ে কাশ্মীর সহ সমগ্র ভারতের উপর আগ্রাসী আক্রমণ চালিয়ে চলেছে।পুলওয়ামা জঙ্গি হামলা
14 ই ফেব্রুয়ারি সিআরপিএফ জওয়ানদের কনভয়ে জইশ-ই-মোহাম্মদের আত্মঘাতী হামলার দ্বারা 44 জন জওয়ানকে হত্যা করা সেই তৈমুর লঙীয় জিহাদি আগ্রাসনের অঙ্গ। যতদিন পাকিস্তান থাকবে, যতদিন জিহাদী থাকবে ততদিন এই আগ্রাসী আক্রমণ চলবে, এমনকি কাশ্মীর ওদের দিয়ে দেওয়া হলেও। কারণ এই জেহাদী আগ্রাসনই ওদের ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় নীতি। তাই এই এই আগ্রাসন থেকে, এই আক্রমণ থেকে, এই সন্ত্রাস থেকে, এই হিংসা ও অশান্তি থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় পাকিস্তানের সঙ্গে সঙ্গে তাদের এই সন্ত্রাসী নীতিকে চিরদিনের জন্য নির্মূল করে দেওয়া।জয় হিন্দ।।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন