![]() |
| সহজে করুন যোগব্যায়াম |
শরীরচর্চা যোগব্যায়াম হাঁটা চলা বা দৈনন্দিন কাজকর্ম অর্থাৎ যে কোনো রকমের শারীরিক কসরৎ, শারীরিক পরিশ্রম আপনাকে নীরোগ ও সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে; আপনার শরীরের লঙ্গজিবিটি বৃদ্ধি করবে, আপনাকে দীর্ঘায়ু করবে ও আয়ু বাড়াতে সাহায্য করবে। শরীরচর্চা শরীর এবং মন দুই এর জন্যই
ভালো। শরীরচর্চা, যোগ ব্যায়াম বা অন্যান্য ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীর ও মন সুস্থ থাকে, শরীরের পেশি, স্নায়ু, হাড়; শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, ফুসফুস, কিডনি, হৃদপিণ্ড, পরিপাক নালী, এছাড়া আরো অন্যান্য যেসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রয়েছে, রক্ত সংবহনতন্ত্র, শিরা উপশিরা ধমনী সুস্থ সবল থাকে, ভালো থাকে। শরীরের ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে, সুস্থ থাকে। শরীরে যৌবনের দীপ্তি বজায় থাকে। পেশীগুলো সবল, সুঠাম ও কর্মশক্তিতে উদ্দীপ্ত থাকে, পেশীকোষগুলো চাঙ্গা থাকে, চর্বিকোষ পেশীকোষে পরিণত হয়। ফলে শরীরের থলথলে ভাব দূর হয়ে সুঠাম ও নমনীয় ভাব আসে, যা কেবল শরীরের শক্তি বা এনার্জি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে তাই নয়, জীবন ও যৌবনকে দীর্ঘস্থায়ী করে তোলে। শরীর চর্চা
না করলে অলস ভাবে জীবন কাটালে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ গুলো অনেকটা নিষ্ক্রিয় এবং অবশ হয়ে যায়। শরীরের পেশীকোষগুলো নেতিয়ে পড়ে ও তা চর্বিকোষে পরিণত হয়। ফলে অনেক আগেই সেগুলো বুড়িয়ে যায় বা বুড়িয়ে যেতে থাকে, কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে; এমনকি শরীরে রোগ আগমনকেও ত্বরান্বিত করে। রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ক্ষমতাও কমে যায়। ফলে মানুষের বেঁচে থাকার ক্ষমতা কমে যায়। এছাড়াও কাজকর্ম যত বেশি করা যাবে তত শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ গুলো সবল শক্তিশালী এবং তরতাজা থাকবে। ফলে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ শরীরকে দীর্ঘদিন বাঁচিয়ে রাখতে বা টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করবে এবং সুস্থ এবং সবল ভাবেই শরীরকে ধরে রাখবে বা ধারণ করতে পারবে। তাই আমাদের ব্যায়াম করা উচিত, শরীর চর্চা করা উচিত, হাঁটাচলা করা উচিত, নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস প্রাণায়াম এসবের অভ্যাস করা উচিত। যে সব কাজকর্ম করলে, ব্যায়াম করলে আমাদের নিঃশ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয়, ভালো হয়, সঠিক হয়, স্বাভাবিক হয় সেগুলো করা উচিত।
ভালো। শরীরচর্চা, যোগ ব্যায়াম বা অন্যান্য ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীর ও মন সুস্থ থাকে, শরীরের পেশি, স্নায়ু, হাড়; শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, ফুসফুস, কিডনি, হৃদপিণ্ড, পরিপাক নালী, এছাড়া আরো অন্যান্য যেসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রয়েছে, রক্ত সংবহনতন্ত্র, শিরা উপশিরা ধমনী সুস্থ সবল থাকে, ভালো থাকে। শরীরের ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে, সুস্থ থাকে। শরীরে যৌবনের দীপ্তি বজায় থাকে। পেশীগুলো সবল, সুঠাম ও কর্মশক্তিতে উদ্দীপ্ত থাকে, পেশীকোষগুলো চাঙ্গা থাকে, চর্বিকোষ পেশীকোষে পরিণত হয়। ফলে শরীরের থলথলে ভাব দূর হয়ে সুঠাম ও নমনীয় ভাব আসে, যা কেবল শরীরের শক্তি বা এনার্জি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে তাই নয়, জীবন ও যৌবনকে দীর্ঘস্থায়ী করে তোলে। শরীর চর্চা
না করলে অলস ভাবে জীবন কাটালে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ গুলো অনেকটা নিষ্ক্রিয় এবং অবশ হয়ে যায়। শরীরের পেশীকোষগুলো নেতিয়ে পড়ে ও তা চর্বিকোষে পরিণত হয়। ফলে অনেক আগেই সেগুলো বুড়িয়ে যায় বা বুড়িয়ে যেতে থাকে, কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে; এমনকি শরীরে রোগ আগমনকেও ত্বরান্বিত করে। রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ক্ষমতাও কমে যায়। ফলে মানুষের বেঁচে থাকার ক্ষমতা কমে যায়। এছাড়াও কাজকর্ম যত বেশি করা যাবে তত শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ গুলো সবল শক্তিশালী এবং তরতাজা থাকবে। ফলে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ শরীরকে দীর্ঘদিন বাঁচিয়ে রাখতে বা টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করবে এবং সুস্থ এবং সবল ভাবেই শরীরকে ধরে রাখবে বা ধারণ করতে পারবে। তাই আমাদের ব্যায়াম করা উচিত, শরীর চর্চা করা উচিত, হাঁটাচলা করা উচিত, নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস প্রাণায়াম এসবের অভ্যাস করা উচিত। যে সব কাজকর্ম করলে, ব্যায়াম করলে আমাদের নিঃশ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয়, ভালো হয়, সঠিক হয়, স্বাভাবিক হয় সেগুলো করা উচিত।
![]() |
| নির্মল বাতাসে নিঃশ্বাস নিন |
বর্তমান সময়ে মানুষের যেসব সমস্যা দেখা দিচ্ছে, বিশেষ করে, একটু বয়স বাড়লে যেমন সুগার, তারপর প্রেসার, হার্ট অ্যাটাক, ব্রেন স্ট্রোক - এসব বিভিন্ন রোগ হচ্ছে। প্রেসার বাড়লে যেমন হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের সম্ভাবনা থাকে, তেমনি শরীরচর্চা করলে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। সুগারের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই। নিয়মিত যোগব্যায়াম করলে, সঠিক খাদ্যখাবার খেলে,এবং সঠিক স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন করলে সুগার বা ডায়াবেটিসও দেখা দেবে না। এর জন্য অবশ্যই স্বাস্থ্যসচেতন হতে হবে।
![]() |
| সাইকেল চালান,মেদ ঝরান |
কিন্তু বর্তমানের ব্যস্ত জীবনে অনেকের পক্ষেই ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করার জন্য সময় বের করা মুশকিল হয়ে পড়ে। আবার অনেকের ব্যায়াম বা শরীরচর্চা সম্পর্কে কোন ধারণাই নেই। জানেন না বা বুঝতে পারেন না যে, কিভাবে কোন্ ব্যায়াম করবেন। আবার না বুঝেশুনে বা ঠিকঠাক পদ্ধতিতে ব্যায়াম করতে না পারলে চোট লাগার যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকে। অনেকে ব্যায়াম করতে গিয়ে চোট লাগাতে নিরাশ হয়ে ব্যায়াম করা ছেড়ে দেন।যেমন, চোট লেগে স্পন্ডিলাইটিসের মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে, যা সারাজীবন ভোগাতে পারে, বা পেশীর ব্যথাও হতে পারে। তাই সাবধানে ধীরেসুস্থে জেনেবুঝে ব্যায়াম করার চেষ্টা করতে হবে।
![]() |
| সাঁতার কাটুন,চাঙ্গা থাকুন |
তাই যাদের পক্ষে অত জেনেবুঝে বা শিখে ব্যায়াম করা সম্ভব নয়, বা যাদের হাতে সময় কম, তাদের বেশি কসরৎ ক’রে ব্যায়াম করতে যাবার দরকার নেই।তারা হালকা সহজ ধরনের ব্যায়াম করুন যা সহজে করা যায়।
![]() |
| ভোরে জাগুন,জগিং করুন |
যেমন, মিনিট পাঁচ-দশ জায়গায় দাঁড়িয়ে দৌড়ান, বা বা কোন একটা কিছু, যেমন,খুঁটি বা জানালার রড ধরে ওঠবস করুন কিছুক্ষণ, বা খালিহাতে ব্যায়াম করুন বিভিন্ন রকমের। তবে একটা কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, আপনি যে ব্যায়ামই করুন না কেন, ব্যায়াম করাকালীন স্বাভাবিক ভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে ও ছাড়তে হবে, কোন অবস্থাতেই শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ করে রাখা যাবে না। আর ব্যায়াম শেষে অবশ্যই কিছুক্ষণ ধরে শবাসন করুন। শবাসন হল, হাত-পা,শরীর সম্পূর্ণ শিথিল করে দিয়ে চিৎ হয়ে শুয়ে থাকা। এইসময় মনকে সম্পূর্ণ ভাবে চিন্তাশূণ্য রাখতে হবে।
Click here for health products
Click here for health products
![]() |
| দৌঁড়ে চলুন,জোরে হাঁটুন |
আর একটি কথা, ব্যায়ামের ফলে যেহেতু শরীর থেকে যথেষ্ট ঘাম নিঃসৃত হয়, তাই ব্যায়াম করার কিছুক্ষণ পর পরিমাণ মতো জল খেয়ে নেওয়া উচিত, যাতে শরীরে জলের ঘাটতি না হয়। এছাড়াও সারাদিন ধরে পরিমাণ মতো জলপান শরীরকে সুস্থ সতেজ ও চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে, ত্বকের স্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা রক্ষা করে, এবং শরীর থেকে দূষিত আবর্জনা বের করে দিয়ে শরীরকে নীরোগ থাকতে সাহায্য করে।
এছাড়া কেবল ব্যায়াম করলে হবে না, তার সঙ্গে দরকার সুষম আহার গ্রহণ করা। আজেবাজে ফালতু খাবার একদম খাওয়া উচিত নয়। সবসময় উচিত যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক খাবার গ্রহণ করা। তাছাড়া খাবারের ব্যাপারে পরিচ্ছন্নতার দিকটা খেয়াল রাখা খুবই আবশ্যক।






কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন